তথ্য অধিকার আইন ২০০৯: সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ

Instructor

প্রশিক্ষণ - "তথ্য অধিকার আইন ২০০৯”

Reviews (24)

Nazmul Faisal
Muhammad Shahidul Islam
Zara Jabeen Mahbub
Zara Jabeen Mahbub

Overview

যেভাবে প্রশিক্ষণে রেজিস্ট্রেশন করবেন

অনলাইন প্রশিক্ষণটিতে রেজিস্টেশন করতে আপনার ডান দিকের উপরের কোনায় লেখা সবুজ রঙের বাটনটিতে ক্লিক করুন। আপনার সামনে একটি নতুন পেজ খুলবে। সেখানে ডান দিকের ওপরের কোনায় লেখা সবুজ বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে। এখানে ক্লিক করলে যে পেজটি খুলবে সেখানে আপনার First Name, Last Name এবং Email ঠিকানা দেবেন। এরপর আপনার Email-এর Passwordটি দিয়ে নিচের লেখা বাটনটিতে ক্লিক করে আপনার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। Sign up লেখা বাটনে ক্লিক করা মাত্রই আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোর্সে প্রবেশ করবেন। পরবর্তী সময়ে লগইনের জন্য Passwordটি মনে রাখুন।

কোর্স থেকে বেরিয়ে যেতে Logout করুন। পরবর্তী সময়ে কোর্সে প্রবেশ করতে ডান কোনায় একদম উপরে নীল রঙের বাটনে ক্লিক করার পর যে পেজটি খুলবে সেখানে আপনার পূর্বের Email addressPassword দিয়ে বাটনে ক্লিক করে আপনি কোর্সে প্রবেশ করতে পারবেন।

মনে রাখবেন, আপনি যে নাম দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করবেন, কোর্স শেষে আপনার সার্টিফিকেটটিও সেই নামেই ইস্যু হবে। তাই যে নামে সার্টিফিকেট পেতে চান সেই নামে রেজিস্ট্রেশন করুন।

এ বিষয়ে কিছু জানার বা কোন সহায়তার প্রয়োজন হলে যোগায়োগ করুন- 01727549686 নম্বরে।

পটভূমি

বাংলাদেশে আইন প্রণয়নের ইতিহাসে তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন একটি অনন্য ঘটনা। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ২৯ মার্চ ২০০৯ তারিখে তথ্য অধিকার আইন পাস হয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ৫ এপ্রিল এটিতে স্বাক্ষর করেন এবং ৬ এপ্রিল ২০০৯ আইনটির গেজেট প্রকাশিত হয়। ১ জুলাই ২০০৯ থেকে আইনটি সারা দেশে পুরোপুরিভাবে কার্যকর হয়। এই আইন কিছু নির্ধারিত তথ্য ব্যতীত কর্তৃপক্ষের সকল তথ্যে জনগণের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছে। এই আইনে কোনো নাগরিক তথ্য চাইলে সেই তথ্য প্রদানে কর্তৃপক্ষের ওপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

তথ্য অধিকার আইনে বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সকল সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারি ও বিদেশি অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারি সংস্থাসমূহের ওপর তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি এই আইনকে তথ্য প্রদানে বাধাসংক্রান্ত অন্য সব আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান দেওয়া হয়েছে এবং আইনের প্রস্তাবনায় এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

আইন অনুসারে কর্তৃপক্ষের সকল ইউনিটে তথ্যের জন্য জনগণের আবেদন গ্রহণ এবং চাহিত তথ্য প্রদান বা আইন ও বিধিমালা অনুসারে অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগের বিধান রয়েছে।

তথ্য অধিকার আইনের সঠিক বাস্তবায়ন বেশ খানিকটা নির্ভর করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ওপর। অনেক সময় সঠিক জ্ঞান ও দিকনির্দেশনার অভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ভীতি ও সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। একটি আবেদন পাওয়ার পর তথ্য দেবেন কি না, তা জানার জন্য তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে দিকনির্দেশনা চেয়ে দীর্ঘসূত্রিতাকে প্রলম্বিত করেন। তথ্যটি হয়তো কৃষি বা সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত নিরীহ তথ্য। এভাবে উপজেলা পর্যায় থেকে তিন-চারটি ধাপ পেরিয়ে ঢাকার প্রধান কার্যালয় পর্যন্ত মতামত, অনুমতি বা দিকনির্দেশনা চাওয়ার নজিরও তৈরি হয়েছে।

সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনটি সম্পর্কে পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন এবং সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। আর তাই, সারাদেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কথা বিবেচনায় রেখে এই অনলাইন প্রশিক্ষণটিতে দশটি ধাপে আইনের বিভিন্ন ধারা নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি এই প্রশিক্ষণ কোর্সে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তথ্য কমিশনের মাঝে সেতুবন্ধকারী হিসেবে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহভাগিতার সুযোগ রাখা হয়েছে।

সরকারি প্রায় সকল দপ্তরে তথ্য অধিকার আইনের আলোকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁর তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জনের কাজটিকে সহায়তা করতে তথ্য কমিশন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। কিন্তু প্রচলিত ক্লাসরুম পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সারা দেশের সব দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এই আইন বিষয়ে পারদর্শী করে তোলা তথ্য কমিশনের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। বদলি বা অন্য অনেক কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়মিত পরিবর্তন হচ্ছে যা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার কাজটিকে আরো কঠিন করে দিচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করে স্বল্প সময়ের মধ্যে সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আইনটিতে প্রশিক্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে তথ্য কমিশন বাংলাদেশ তথ্য অধিকার বিষয়ক একটি অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আন্তরিক সহযোগিতা ব্যতীত এই প্রশিক্ষণ কোর্সটি তৈরি ও এর ব্যবহার নিশ্চিত করা অনেক দুরূহ। তথ্য কমিশনের এই উদ্যোগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আগ্রহ ও সহযোগিতার জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। বিশেষ কৃতজ্ঞতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এর প্রতি তাঁর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তাঁর প্রেরণাদায়ী বক্তব্যের জন্য।

তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণের অনলাইন কোর্স তৈরি একটি ভিন্ন রকম বৃহৎ কর্মযজ্ঞ। তথ্য কমিশনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই কঠিন দায়িত্বটি এমআরডিআই দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে। তথ্য কমিশনের পক্ষ থেকে এমআরডিআই-এর প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

তথ্য কমিশনের পক্ষ থেকে বিশ্বব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ এই অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সটি তৈরিতে সহায়তা করার জন্য।

অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে একটি নির্দিষ্ট কারিগরি সুবিধার প্রয়োজন হয়। আমাদের দেশের বাস্তবতায় এই সুবিধা সবার সমানভাবে নেই। এই সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে অনলাইন প্রশিক্ষণটির একটি অফলাইন ভার্সন তৈরি করা হয়েছে। এই অনলাইন প্রশিক্ষণের প্রতিটি অধিবেশনের লিখিত রূপ দেয়া আছে।

Course content

  • প্রশিক্ষন নির্দেশনা

  • অধিবেশন ১ : স্বাগত বক্তব্য এবং আলোচ্য বিষয়াদির পরিচিতি

  • অধিবেশন ২: তথ্য অধিকার: ইতিহাস, স্বীকৃতি ও উদ্দেশ্য

  • অধিবেশন ৩: আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য সরবরাহ

  • অধিবেশন ৪: আপীল দায়ের ও নিষ্পত্তি

  • অধিবেশন ৫: অভিযোগ দায়ের ও নিষ্পত্তি

  • অধিবেশন ৬: তথ্য সংরক্ষণ এবং স্ব-প্রণোদিত তথ্য প্রকাশ

  • অধিবেশন ৭: প্রদানযোগ্য এবং প্রদান করা বাধ্যতামূলক নয়, এমন তথ্য

  • অধিবেশন ৮: সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের করণীয়

  • অধিবেশন ৯: নিজ নিজ দপ্তরের দাপ্তরিক পরিকল্পনা প্রণয়ন

  • অধিবেশন ১০: সমাপনী ও চুড়ান্ত মূল্যায়ণ

Interested? Enroll to this course right now.

There is more to learn